বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
দেশে প্রতিদিন গড়ে মারা যাচ্ছে ৫৪ নবজাতক। ৭৮ ভাগ মৃত্যুই হচ্ছে প্রসবজনিত জটিলতা ও কম ওজনের কারণে। সারা দেশে ৬২টি নবজাতক বিশেষ পরিচর্যাকেন্দ্র বা স্ক্যানু থেকে পাওয়া গেছে এ সব তথ্য। চিকিৎসকরা বলছেন, পরিকল্পিত গর্ভধারণ ও হাসপাতালে প্রসবের হার বাড়ানো গেলে নবজাতকের মৃত্যু কমানো যাবে।
ছোট্ট শরীরে বড় জটিলতা। কারো কম ওজন, কারো তীব্র সংক্রমণ। যে সময়টি মায়ের কোল জুড়ে থাকার কথা, সেই সময়ে হাসপাতালের বিছানায় তারা।
ময়মনসিংহ মেডিকেলের শেখ রাসেল স্ক্যানুতে বেড ৫০টি। রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় ভর্তি দুইশর বেশি নবজাতক। সংবাদ সংগ্রহের সময়ই হৃদস্পন্দন থামলো একজনের। এভাবে দিনে হারিয়ে যায় ১০ থেকে ১৫ নবজাতক।
নানা কারণে জটিলতার শিকার এক থেকে ২৮ দিন বয়সী শিশুর চিকিৎসা দেয়া হয় স্ক্যানুতে। ৫০ জেলায় স্ক্যানু আছে ৬২টি। গত এক বছরে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ২১ হাজার ৬২৩ জন। মারা গেছে ১৯ হাজার ৯৯১ নবজাতক। এর মধ্যে প্রসবজনিত জটিলতায় মৃত্যু ৭ হাজার ৬২৪ জনের। আর ৩৯ ভাগ মৃত্যু হচ্ছে কম ওজনের কারণে নানা জটিলতা থেকে।
দেশে হাসপাতালে প্রসব করানোর হার এখনও শতভাগ নয়। শুধু বাড়িতে নয়, অনেক বেসরকারি ক্লিনিকেও নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা যায়নি। প্রসবের সময় কোনো জটিলতা দেখা দিলে হাসপাতালে নেয়ার আগেই শ্বাসকষ্টে ও অন্য সমস্যায় মারা যায় অনেক নবজাতক।
দেশে প্রতিদিন জন্ম নেয় ৮ হাজার শিশু। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি হাজারে নবজাতকের মৃত্যু ২৬ থেকে ১২তে নামিয়ে আনতে চায় সরকার।